আজকের আর্টিকেলে আমরা পড়ব- মধ্যবিত্ত জীবন নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ এর সেরা ৫ বই সমূহের রিভিউ। বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস আমাদের আনন্দের খোড়াক। তন্মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের রচিত উপন্যাস বিশ্লেষণ আর অদ্ভুত চরিত্রের মিশেলে যেন তৈরি এক যাদু বিশেষ।
বাংলা উপন্যাসের জগতে হুমায়ূন আহমেদ এক অনন্য নাম। তিনি তার জীবদ্দশায় প্রচুর বই লিখে গেছেন৷ তার লেখা সেইসব বইয়ের বেশিরভাগই উপন্যাস। তিনি উপন্যাসে চরিত্র ও গল্পকে সঠিক রূপে প্রকাশ করতেন।
এরকম আরও অনেক বিশেষত্ব তার ছিল। এসকল কারণেই তিনি আজও অগণিত ভক্তদের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
মধ্যবিত্ত জীবন নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ এর সেরা ৫ বই সমূহ
আজকের লেখায় আমি হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস নিয়ে বই রিভিউ লিখতে চলেছি। এইখানে পাঁচটি বই সম্পর্কে লিখবো, যা আমার কাছে মধ্যবিত্ত জীবনের জন্য নিবেদিত লেখা মনে হয়েছে —
- অরণ্য
- নন্দিত নরকে
- চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক
- দিনের শেষে
- বাসর
এগুলোকে হুমায়ূন আহমেদের রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবেও বলা যায়। উপন্যাসগুলো মধ্যবিত্ত জীবনের সংবেদনশীল অনুভূতির জন্য পর্যাপ্ত এলিমেন্টসে ভরপুর। একজন একনিষ্ঠ হুমায়ূন পাঠক না হয়েও যে কেউ এই উপন্যাসগুলো পছন্দ করবে বলে আমার ধারণা।
» আরও পড়ুন: সবই ছিল খেলা — থ্রিলার গল্প
অরণ্য
সোবাহান একটা সাদাসিধে চরিত্র। হুমায়ূন পাঠকেরা খুব সহজেই এই চরিত্রকে নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে রিলেট করতে পারবেন৷ সোবাহান স্বল্পভাষী। অথচ শহুরে জীবনে তার সাথে থাকা সাবলেট সঙ্গী জলিল সাহেব প্রচুর কথা বলেন।
জলিল সাহেবের কথায় প্রায়শই অশ্লীলতা প্রকাশ পায়।
সোবাহান আন্তরিকতা দেখায় না। আবার জলিলকে সে অবজ্ঞাও করে না। সোবাহানের বাড়িওয়ালার শালী হচ্ছেন যূথি নামের এক মেয়ে। সে-ই গল্পের নায়িকা। মনসুর নামক যূথির এই দুলাভাইকে ঠিক বাড়িওয়ালা বলা যায় না। কেন বলা যায় না তা বই পড়লেই ক্লিয়ার হবে৷
বইটি পড়বার জন্য বিশেষ নয়। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ মধ্যবিত্ত জীবনের আর্টিস্ট। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্যবিত্ত দু’চারটা দুঃখ-কষ্ট, সুখের মত অল্প অল্প ব্যথা উঠে এসেছে।
উপন্যাসে সোবাহান বেকার। চাকরির জন্য তার বন্ধুর মায়ের রিকমেন্ডেশন আছে। সে প্রায়ই রিকমেন্ডেশন নিয়ে অফিসে যায়। অফিসে তাকে রিসিপশনের মেয়েটি বিরক্ত হয়ে বসিয়ে রাখে।
রিসিপশনের মেয়েটির চেহারা সুন্দর।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
বইটি পড়ে শেষ করার পর যারা হুমায়ূন আহমেদের একনিষ্ঠ পাঠক, তারা চিরচেনা আচ্ছন্নের মত ব্যতিক্রম অনুভূতি পাবেন। মধ্যবিত্ত জীবন আমাদেরকে নিয়ে কতটা দায়বদ্ধতার খেলা খেলে, তা এই বইটিতে সোবাহান চরিত্রটিতে ফুটে উঠেছে।
তবে কিছু জায়গায় হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা খোড়া যুক্তি এবং সেইসাথে অসংলগ্ন লাগতে পারে। বিশেষ করে যারা নতুন নতুন হুমায়ূন পাঠক, তাদের এমন মনে হতেই পারে। উদাহরণস্বরূপ, বইয়ের একটি জায়গায় লেখা ছিল — “মাঝে মাঝে সুন্দরী মেয়েদের কুৎসিত সব নাম থাকে”। পার্সোনালি এই অংশটা আমার ভালো লাগেনি।
যদিও আমি একজন হুমায়ূন ভক্ত পাঠক৷ তবু এই বইটি আমার কাছে গতানুগতিক লেগেছে। উপন্যাসে আরও বৈচিত্র্য থাকলে ভালো হতো। কিন্তু আমি জানি হুমায়ূন আহমেদ তার একান্ত বৈচিত্র্যের বাইরে গল্প কখনোই বলেননি।
» আরও পড়ুন: তখন শেষ বিকেল — গভীর ভালোবাসার গল্প
নন্দিত নরকে
হুমায়ূন আহমেদ যে বইটি দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন, এটিই সেই বই — ‘নন্দিত নরকে’। যদিও তিনি এর আগে ‘শঙ্খনীল কারাগারে’ লিখেছিলেন৷ তবে প্রথম প্রকাশিত হয় ‘নন্দিত নরকে’।
বইটি সেই সময়কার, যখন বাংলাদেশের পাঠকেরা পশ্চিমবঙ্গের লেখায় বুদ থাকতেন। ঠিক এ সময় মধ্যবিত্ত জীবনের গল্প বলতে শুরু করেন হুমায়ূন আহমেদ। যাদুর মত করে লেখার প্রয়াস আর শব্দশৈলীর এক অভিনব পন্থায় উঠে আসে চিরচেনা বাস্তবতা।
বইয়ের খোকা চরিত্রটি আজও যেন চিরসবুজ মধ্যবিত্ত তরুণ!
খোকার পিঠাপিঠি বয়সী বড় বোন রাবেয়া। রাবেয়া মানসিক ভারসাম্যহীন৷ খোকার আরও একটি ছোট বোন ও ভাই আছে।
উপন্যাসে খোকা যত সহজ সরল, ততটাই দায়িত্ববান৷ সারাক্ষণ পড়াশোনা করছে। ঘরে রাত জেগে পড়তে পড়তে লক্ষ্য করছে বাবার চাকরির ধকল, মায়ের অসুখ। মায়ের অসুখের ওষুধও থাকে তার ঘরের বিছানায়। গভীর রাতে সেই ওষুধ চাইতে আসেন খোকার বাবা।
এই নিঃশব্দ একঘেয়ে জীবনে কি বৈচিত্র্য ছিল? হ্যা, খোকা তার মত করে বৈচিত্র্য খুঁজে নিয়েছিলো। পাশের বাসার নতুন লোকেরা কলে গান শুনতো যখন, তখন সে তন্ময় হতো।
মাঝে মধ্যে খোকা সিগারেট টানতো। এটাও ছিল বিলাসীতার অপূর্ব নিদর্শন। কিন্তু জীবন সবসময় চিরচেনা বৈচিত্র্য ঘিরে সংজ্ঞায়িত হয় না। এখানেও হয়নি। রাবেয়াকে ঘিরে শুরু হয় নতুন গুঞ্জন — সে যে গর্ভবতী! এখান থেকেই যেন শুরু নরকের আরও এক কঠিন উত্তাপ।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
বইটি আমার ভীষণ পছন্দের। মধ্যবিত্ত জীবনকে খুব সহজেই রিলেট করা যায়। এটি হুমায়ূন আহমেদ এর সেরা বই সমূহ এর অন্তর্ভুক্ত।
উপন্যাসটি ছোট হলেও এখানে চরিত্রের গঠন প্রণালী সজীব ও প্রাণবন্ত ছিল।
লেখায় সহজ ও সাবলীলতার সাথে বড় একটা অংশ ছিল হুমায়ূন আহমেদের লেখার শৈলী। যে শৈলী আজও পাঠকদের মূগ্ধ করে৷ উপন্যাসটির শেষটা অনেক করুণ।
বইটি পড়তে পড়তে পাঠক যেন বিরক্ত হবার অবকাশ পাবে না। শেষে এসে যেন সে শুধু কষ্ট অনুভব করবে। যে কষ্ট নির্ভেজাল। যে কষ্ট আমাদের চেনা পরিচিত।
» আরও পড়ুন: রিলেশনশিপ — এক অদ্ভুত ভালোবাসার গল্প
চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক
আরও একটি মধ্যবিত্ত জীবনের গল্প ‘চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক’। এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে তিনজন যুবককে নিয়ে। শফিক এখানে প্রথম চরিত্র, যার আর্থিক অবস্থা পরিবারে শোচনীয়।
এই শোচনীয় অবস্থার ভেতর তার ছোটভাই বিয়ে করে বসেছে। লম্বা একটা মেয়ে, সারাক্ষণই তার সাথে শফিকের ভাইয়ের কোনো না কোনো এক ঝামেলা! শফিক এতকিছুর পরও কেমন নির্বিকার। অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় এই চরিত্রটি একসময় স্কুলে শিক্ষকতার পেশায় নির্বাচিত হয়।
তার বাবা প্রায়ই এ নিয়ে তাকে উপদেশ দেন, যেন শফিক শিক্ষকতায় যোগ দেয়।
কিন্তু শফিক কী চাইছিলো? তার কি আদৌ কোনো বিশেষ চাওয়া ছিল? গল্পটি এক রাতের। সে রাতে মস্ত চাঁদ ছিল আকাশে। এই রাতে শফিকের বিচিত্র বন্ধু মজিদের সাথে দেখা হয়।
বিচিত্র কেন? কারণ মজিদ অবলীলায় যেকোনো কথা উল্টো করে বলতে পারদর্শী। গল্পের আরও এক চরিত্র হল মাহিন। তার তেমন বিশেষত্ব নেই। তবে শফিক আর মজিদের চেয়ে তারই আর্থিক অবস্থা কিছুটা ভালো।
তিন তরুণ চাঁদের আলোয় হাঁটছে। সঙ্গে গল্পের সাথে সাথে একজন প্রবাসী মধ্যবয়স্ক লোকও এসে জুড়েছেন৷ গল্প তাদের কোনদিকে নিতে চায় সেটাই দেখার বিষয়। তবে গল্পটি অনেক সুন্দর ছিল।
পার্সোনালি আমার খুবই পছন্দের উপন্যাস এটা।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
উপন্যাসের একটা পর্যায়ে পুরো গল্পই ঘুরে গিয়ে মজিদের ঘাড়ে এসে পড়ে। একটা মুহূর্তে পাঠকের মনে হবে গল্পের মূল চরিত্র শফিক কিংবা মাহিন নয়, বেটেখাটো মজিদ।
উপন্যাসটা যথেষ্ট গুছিয়ে লেখা হলেও কিছু জায়গায় মজিদের আচরণ একটু বেশিই অসংলগ্ন লেগেছে, যা আসলে সঠিক ব্যাখ্যায় আনলে ভালো লাগতো। তবে এটা আমার মতামত।
অন্যদের নিকট অন্যরকমও লাগতে পারে।
» আরও পড়ুন: শূন্যতায় খুঁজি তোমায় — নতুন রোমান্টিক গল্প
দিনের শেষে
‘দিনের শেষে’ উপন্যাসটিও উপরোক্ত তিন উপন্যাসের মতই সাদাসিধে। মধ্যবিত্ত জীবনের ছাপ আছে এখানেও। তবু চরিত্রগুণে ‘দিনের শেষে’ উপন্যাসটি কিছুটা হলেও আলাদা।
হ্যা, এই উপন্যাসে জহির চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের।
জহির খুবই লাজুক ও বিনয়ী একটি ছেলে। সংক্ষেপে বললে বলা যায়, সে জীবনে কারও মুখাপেক্ষী থাকতে চায় না। এর জন্য লোকেরা তাকে দেখে অবাক হয়। কারণ তার আশেপাশের মানুষ তাকে নিয়ে নেতিবাচক ভেবে বসে। অথচ জহির তার বিপরীত।
জহিরের দূরসম্পর্কের মামার কথায় ধরা যাক। লোকটি ভেবেছিলেন শহরে এসে জহির তাদের সাথে বসবাস করতে শুরু করবে। কিন্তু না, জহির অন্যত্র থেকেই চাকরি পেলো৷ মাঝে মধ্যে সে মামার বাড়িতে আসে। সেটাও না আসার মতই।
সে যে ঘরে আছে এটা বোঝায় যায় না।
উপন্যাসে জহির চরিত্রগুণে সাদাসিধে ও অতুলনীয় মনে হলেও তার বিয়ে নিয়ে তেমন সম্বন্ধ এগোয় না। জহির অবশ্য ছোট চাকরি করে — প্রাইভেট কোম্পানির ক্যাশ সেকশনে সে হেড ক্যাশিয়ারের আন্ডারে হিসাব দেখে।
এই নিয়ে সে তৃতীয়বারের মত পাত্রী দেখতে যাচ্ছে। সন্ধ্যায় মামাকে নিয়ে বের হয়েছে। তার মামা তখন একটা বিশেষ কথা বলতে সিগারেট ধরালেন। কথাটা আসমানীকে নিয়ে, যার সাথে জহিরের বিয়ের কথা চলছে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া
উপন্যাসটি কেন জানি না আমার খুবই পছন্দের। অনেক ভেবেছি, কেন পছন্দের? ঘুরেফিরে একটিই উত্তর পেয়েছি, তা হলো জহির। জহিরের চরিত্র গঠন এতটাই শানিত যে, মনে হয় লেখক এখানে যেন নিবেদিত হয়ে লিখে গেছেন।
উপন্যাসে জহির মূল চরিত্র হলেও গল্পটা শুধু জহিরের একার নয়। জহিরের সাথে সাথে আসমানীরও গল্প। আর আছে তরু নামের তার মামাতো বোন ও তার স্বামী আজাহার নামের এক চতুর লোক।
সবমিলিয়ে উপন্যাসটি আমার কাছে বারবার পড়ার মত সুন্দর।
বাসর
এই উপন্যাসটি শুরু হয় একটি রহস্য দিয়ে।
উপন্যাসের মূল চরিত্র আহসান৷ পেশায় লেকচারার। উপন্যাসের শুরুতে আদাবরের একটি রাস্তায় তাকে দেখা যায়। এখানে কিছু একটা রহস্য আছে৷
রাস্তাটিতে প্রায়ই ফুলের সুবাস পাওয়া যায়। কিন্তু কেন? আশেপাশে তো ফুলগাছ নেই। আহসান প্রায়ই ভাবে ব্যাপারটা নিয়ে কারও সাথে আলাপ করবে। ঐদিনও ভাবছিলো।
তখনই সে জানতে পারে তার বাড়িওয়ালা করিম সাহেব টেম্পোর সাথে অ্যাক্সিডেন্ট করেছেন৷ তার মাথা ফেটে গেছে। এ খবরটি ঐ সময় যাত্রাপথে থাকা করিম সাহেবেরই এক ট্রাক ড্রাইভার দেয় আহসানকে। ড্রাইভারের নাম জালাল মিয়া।
আহসান এই খবরে সাথে সাথেই বিচলিত হতে পারে না।
তার তখনও গন্ধ নিয়ে রহস্য মনে পড়তে থাকে। ড্রাইভার গিয়ার বদলিয়ে চলে যায়। আর তখনই আহসানের মনে পড়ে ড্রাইভারের সাথে হাসপাতালে তার যাওয়া উচিত ছিল।
করিম সাহেব সদালাপী ব্যবসায়ী লোক। তার পাঁচ কন্যা। এর মধ্যে তিনজন বিয়ের বয়সী। আহসানের প্রায়ই ধারণা হয়, করিম সাহেব হয়তো বিয়ের পরিকল্পনায় তার সাথে অতি সদ্ভাব রাখেন৷
আহসান অবশ্য বিবাহিত। তার স্ত্রী তারিন মারা গেছে বেশ আগেই। আহসানের ছোট্ট পুত্র সন্তান মানুষ হচ্ছে শ্বশুরবাড়ি। বাড়িওয়ালা করিম প্রসঙ্গে ফেরা যাক? উনার মেজো মেয়ে মহল। মহলকে আহসানের প্রতি দুর্বল দেখায়। আহসানের একটি আচরণে ভুল বুঝে মহল অনেক কেঁদেছিলো।
কী ছিল সেই আচরণ? আর মহল কি আহসানকে ভালোবাসে?
পাঠ প্রতিক্রিয়া
এটিও আমার প্রিয় উপন্যাস। ‘দিনের শেষে’ উপন্যাসের পর ‘বাসর’ উপন্যাসটি আমার প্রায়োরিটি। লেখক এখানেও তার লেখনশৈলী ঢেলে দিয়েছেন।
উপন্যাসটি পড়বার সময় চরিত্রগুলো কাছ থেকে দেখা যায়।
আর তাছাড়া উপন্যাসে মধ্যবিত্ত নান্দনিকতা উঠে এসেছে সুনিপুণভাবে। বইটি পড়লেই বুঝতে পারবেন সেটা।
পরিশেষে
হুমায়ূন আহমেদ!
একজন জাদুবাস্তবতার লেখকের নাম। তিনি তার লেখনী দিয়ে মানুষকে অনেক বছর ধরেই মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন। তার লেখায় বিশেষ চরিত্র ফুটে উঠেছে সুনিপুণভাবে, সুনিপুণ দক্ষতায়। জাদুবাস্তবতার কৌশলে ফুটে ওঠা মধ্যবিত্ত জীবন নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ এর সেরা ৫ বই সমূহ নিয়ে রিভিউয়ে আমরা যেন সেই দক্ষতার নিদর্শন খুঁজে পাই।
তার সৃষ্ট চরিত্র হিমু, মিসির আলি আর শুভ্র’র থেকে তিনিও কোনো অংশে কম নন।
প্রিয় পাঠক, নিয়মিত এই ধরনের আরও বই রিভিউ পড়তে শব্দশৈলী পোর্টাল ও ফেসবুক পেজে চোখ রাখুন। ধন্যবাদ।



